করোনা জীবানু না জীবাস্ত্র:কোন পথে দাজ্জালিক বিশ্ব?
করোনা জীবানু না জীবাস্ত্র:কোন পথে দাজ্জালিক বিশ্ব?
________________________
#১. ছোট বেলায় কিছু বইতে পড়েছিলাম অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের হাতে এমন কিছু বোমা আছে যা অন্য বোমার মত নয়।
ইহুদি আর আরবদের জীনগত পার্থক্যকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে ইহুদিরা এ জীবাস্ত্র তৈরি করেছে।অভিন্ন যুদ্ধ ক্ষেত্রে করোনার মত এই জীবানু অস্ত্র ছাড়লে আরবরাই শুধু মরবে,ইহুদিরা নয়!
আর এখন সারা বিশ্ব সে ধরনের অস্ত্রের সত্যতা নিজ চোখেই দেখছে।
#২. এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ভাবে চীন যুক্তরাষ্ট্র পরষ্পর দোষারোপ করলেও পর্দার অন্তরালে কিছু ঘটনার কথা শোনা যাচ্ছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে বানিজ্য যুদ্ধ শুরু করে অপমানজনক ভাবে হেরে যায়।প্রতিশোধ হিসেবে চীনকে কোনঠাসা ও ক্ষতিগ্রস্থ করতে গিয়ে তারা উহানে করোনা ছড়ায়।
চীন দাবি করেছে- উহানে একটি আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে আসা মার্কিন সৈন্যদল থেকে এটা ছড়ানো হয়েছে।তারা আরো বহু প্রমান গনমাধ্যমে হাজির করেছে।
চীনের কোর্টে যে বল ছোড়া হয়
চীন সেটাকে কৌশলে ডাইভার্ট করে দেয় মার্কিন ও মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রসমূহে।একাজেও চীন দক্ষ খেলোয়াড়ের পরিচয় দেয়।
মার্কিন পক্ষ ছড়িয়ে দেয়ার স্বপক্ষে কিছু সিসিটিভি ফুটেজ মিডিয়ার নজরে এনেছে।
যেখানে চীনা ডিটেকটিভরা অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন স্থানে থু থু ছিটিয়ে করোনা ছড়াচ্ছে।
যার ফলাফল আজকের এই পরিনতি।
ঘটনার সত্যতা যাই হোক, এসব বিষয়গুলো নিয়ে প্রতিনিয়ত বাদানুবাদ চলছে।
জার্মানি মোটা অংকের ক্ষতিপূরন চেয়েছে চীনের কাছে।
লন্ডনের অনলাইন এক্সপ্রেস লিখেছে, শনিবার ট্রাম্প চীনের প্রতি এমন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, করোনা মহামারি ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়ে যদি চীনকে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে দায়ী’ পাওয়া যায়, তাহলে তাদেরকে কঠোর পরিণতির মুখে পড়তে হবে। তিনি আরো বলেছেন, এই ভাইরাসকে ছড়িয়ে পড়ার আগেই চীনে তার বিস্তার বন্ধ করা যেতো। কিন্তু তা করা হয় নি। এর জন্য সারাবিশ^ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। যদি এক্ষেত্রে ভুল হয়ে থাকে, ভুল তো ভুলই। কিন্তু তারা যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করে থাকে তাহলে তাদেরকে শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ বিষয়ে বিব্রতকর অবস্থায় আছে চীন। এখন প্রশ্ন হলো, এই ভাইরাস ছড়িয়েছে ভুলবশত কিনা, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, অথবা তারা কি এই ভাইরাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়ে দিয়েছে কিনা?
#৩.আমেরিকার ইতিহাসে এমন কোন দশক নেই যেখানে সে কারো না কারো সাথে যুদ্ধ করেনি! আমেরিকার অর্থনীতি যুদ্ধকেন্দ্রীক।হাঙ্গামা প্রিয় একটা দেশ।মার্কিন অর্থনীতির বড় আয়ের খাত হলো অস্ত্র ব্যবসা।
অস্ত্র ব্যবসা জমজমাট করার জন্য সারা পৃথিবীতে তারা অশান্তি জিইয়ে রাখে।
একই নিয়মে ব্যবসা করে- চীন,রাশিয়া,জার্মানি,ফ্রান্স,বৃটেন,কোরিয়া,ইসরায়েল।
এরা যেসব অস্ত্র বানায় সেটার ধ্বংস ক্ষমতা কেমন তা পরীক্ষা করা এবং অস্ত্র ক্রেতাদের প্র্যাকটিকাল দেখানোর জন্য যুদ্ধ ক্ষেত্রে টেস্ট করে।
বর্তমান যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়া আমেরিকা- ইসরায়েল- রাশিয়ার বড় টেস্ট ল্যাবে পরিনত হয়েছে।
আর লাখ লাখ নিরীহ সিরিয়ানের উপর নিত্য নতুন অস্ত্রের নারকীয়তা দেখে মুগ্ধ মনে অস্ত্রের অর্ডার করেন তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো।
মুসলমানরা হয়ে উঠেছে এসব রাষ্ট্রের জন্য গিনীপিগ।যাদের মারলে কেউ কথা বলেনা।
বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যে,আফ্রিকায়,এশিয়ায়,বলকানে আমেরিকা রাশিয়া চাইলে এক ঘন্টায় অশান্তি দূর করতে পারে,কিন্তু কখনোই তারা তা করবে না।
#৪. করোনা কবে শেষ হবে এই অপেক্ষায় বসে আছে বিশ্বরাজনীতিতে দুই মেরুর খেলোয়াড়েরা।তলে তলে দল গোছানোর কাজ চলছে।
আবার শুরু হতে যাচ্ছে কোল্ড ওয়ার।ভার্সাই চুক্তির স্টাইলে চীনকে কাবু করতে পশ্চিমারা একজোট।
অতটা সহজে ছেড়ে দেবে না চীন রাশিয়া।
ফলে চলবে ভয়াবহ কোন দৃশ্যপটের মঞ্চায়ন।
সেটাই দেখার অপেক্ষা এখন।
যে ফেতনা থেকে কোন দেশ,কোন জাতিই বাচতে পারবে না।রাসুল সাঃ এর ভবিষ্যত বানীতে যাকে বলা হয়েছে "মালহামা"।
#৫. বর্তমানে তিনটি আব্রাহামিক ধর্মের অনুসারিরা দাজ্জাল, যিশু,ইমাম মাহদির অপেক্ষায় ক্ষনগননা করছে।
হতে পারে "করোনা ক্রাইসিস"- একটা টেস্ট কেস।
এটা সেরকম না হলেও জীবাস্ত্র হিসেবে " করোনা ক্রাইসিস"- বিশ্বে কি কি পরিবর্তন এনেছে সে আলোকে যুদ্ধ কৌশল প্রনয়ন করবে নয়া বিশ্ব।কারন এ যুগের যুদ্ধ ঢাল তলোয়ার বা রাইফেলে হয় না।
করোনা দিয়ে ভবিষ্যত জীবাস্ত্রের কৌশল ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা ঠিক করবে বিভিন্ন দেশ।
এই এক করোনায় বিশ্বের এ অবস্থা! জাদুকর দাজ্জাল এলে কি অবস্খা হতে পারে!
বিপদের দিন গুলো যেখানে কয়েক বছরের মত ভয়াবহ হবে!
হ্যাঁ করোনা থেকে জুইস সিক্রেট সোসাইটি যে ভবিষ্যতের জন্য নোট নিবে সে ব্যপারে কোন সন্দেহ নেই।
রাসুল সাঃ দাজ্জালের ফেৎনার সময় মুমিনদের পরামর্শ দিয়েছেন গ্রামে,অজপাড়াগায়ে,বনে জঙ্গলে কয়েক মাসের খাবার মজুদ করে "লক ডাউনে" থাকতে।
চলমান এই লকডাউন থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে দাজ্জালের 'ভবিষ্যত লকডাউনের'জন্য কঠিন প্রস্তুতি নিতে হবে আমাদের সবাইকে।
বিশেষ করে তরুন প্রজন্মকে।
▶সর্বশেষ খবর: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে করোনা রোধে সন্মিলিত একটা পদক্ষেপ পাস করতে দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।তারা সবাইকে অবাক করে দিয়ে 'ভেটো' দিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.