Header Ads

Header ADS

৮০% কনফিউশনে করোনা আসলে কি? কি তার বৈশিষ্ট্য?

৮০% কনফিউশনে করোনা আসলে কি? কি তার কাজ? কি তার বৈশিষ্ট্য?

৮০% কনফিউশনে করোনা আসলে কি? 
কি তার কাজ? কি তার বৈশিষ্ট্য?



করোনা নিয়ে যতগুলো লেখা পড়লাম এখনও ৮০% কনফিউশনে করোনা আসলে কি? কি তার কাজ?
কি তার বৈশিষ্ট্য?
কনফিউশন বলছি কারন একেক বিশেষজ্ঞের লেখায় একেক রকম তথ্য।জাপানী বিজ্ঞানীদের একরকম তথ্য তো চাইনিজদের আরেকরকম।
কেউ বলছেন করোনা বাতাস পরিবাহী কেউ বলছেন সংস্পর্শে ছড়ায়! আগে শোনা গিয়েছিলো মাটিতে পড়ে থাকে,পায়ে লেগে ছড়ায়।

এই যখন অবস্থা অজ্ঞ-বিজ্ঞদের
তখন সাধারন পাবলিকের অবস্থা অনুমান করেছেন?
ফলে করোনা হয়েছে শুনে দরজার খিল লাগিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে মা-ছেলেরা
অন্যদিকে লকডাউন করতে গিয়ে পুলিশ ম্যাজিস্ট্র্যাট দেখে রোগি বাজার করতে গেছে!

যতক্ষন পর্যন্ত রাষ্ট্রযন্ত্র সঠিক তথ্য বার বার প্রচার না করবে ততক্ষন এই অবস্থা চলতে থাকবে।ফলে করোনা সংক্রমনের ৩মাস পরেও সমন্বয়হীনতাও কাটছে না!

করোনা সম্পর্কে যা কিছু তথ্যও আমরা জানতে পারছি তাও শুদ্ধ ভাষায়।
দেশের ৮৫% মানুষ গ্রামে থাকে,তাদের কথা ভেবে (অন্তত সিলোড়ি-চাঁটগাইয়্যাদের কথা ভেবে হলেও) আঞ্চলিক ভাষায় করোনা সচেতনতা নিয়মিত সম্প্রচার করা জরুরি ছিল,এখনও করা প্রয়োজন।

করোনা বিষয়ক তথ্যগুলো যা প্রচার করছে সেখানেও কর্পোরেট শব্দের ব্যবহার।

সারা পৃথিবীতে জীবানুটা শুরু থেকেই  করোনা নামে পরিচিত।এখন প্রচার হচ্ছে- কোভিড-১৯!
করোনা কি? 
কোভিড-১৯ কি?
দুটি আলাদা রোগ নাকি?

অমুকের করোনা ধরা পড়েছে বললে সকলেই সহজে বুঝে
বলা হচ্ছে 'সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রীর করোনা পজিটিভ'

গ্রামের মানুষ কেন বহু শিক্ষিত লোকও বুঝেন না করোনার আবার নেগেটিভ পজেটিভ কি!

পজেটিভ না লিখে করোনা আক্রান্ত হয়েছে বললে কি স্মার্টনেস চলে যাবে?
মহামারির মধ্যে কিসের আবার স্মার্টনেস?

PPE সাধারনত মেডিকেল, কনস্ট্রাকশান বা গার্মেন্টস সাইট ছাড়া অন্যদের জানার কথাও নয়,স্বয়ং স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়েও যিনি PPP বলছেন সেখানে সাধারন মানুষের কি অবস্থা হতে পারে?

গ্রামের অশিক্ষিত রিকসা চালককে পুলিশ মারছে,তোর পিপিই কই?
করোনার আগে কয়জনে এই পিপিইর নাম শুনেছে?
এসব ক্ষেত্রে সহজ শব্দগুলো ব্যবহার করা জরুরি যেমনটা প্রাইমারির বইগুলোতে ভাষাবিদরা সহজ শব্দগুলো যুক্ত করেন।
তাহলে জনগন সহজে বুঝবে,গ্রহন করবে যে কোন তথ্য।যেটা তার সচেতনতার জন্য সহায়ক হবে।

আজকাল সহজ আলাপের মধ্যে কিছু ইংরেজি ঢুকিয়ে নিজেকে স্মার্ট জাহির করার এই অসুস্থ অস্বাভাবিক রেওয়াজ পুরা জাতিকে জেঁকে বসেছে যা থেকে বের হয়ে আসা সময়ের দাবি।

আমার সাহিত্যিক ও শিক্ষক এক মামা বাঙালীর এই স্বভাবকে খুব জঘন্যভাবে নিন্দা করতেন।
বলতেন- বৃটিশরা এদের এমনভাবে মানসিক গোলাম বানিয়ে দিয়ে গেছে যে,মনিবের চিন্তাধারা দিয়ে নিজেকে মূল্যায়ন করে,
বাঙালীর স্বকীয়তা বলতে এরা অন্যকে অন্ধের মত অনুকরনই বুঝে।

কোন মন্তব্য নেই

please do not enter any spam link in the comment box.

Blogger দ্বারা পরিচালিত.