জনতার ক্ষোভে যে ভাস্কর্যটি ভেঙ্গে ফেলা হলো
জনতার ক্ষোভে যে ভাস্কর্যটি ভেঙ্গে ফেলা হলো
জনতার ক্ষোভে যে ভাস্কর্যটি ভেঙ্গে ফেলা হলো
বৃটেনের জনগনের ক্ষোভে যে ভাস্কর্যটি ভেঙ্গে ফেলা
হয়েছিলো অনেক গবেষণার পর জানা যায় যে,
সে ভাস্কর্যটিই মূলত সেখানকার কলস্টন নামের এক দাস ব্যবসায়ীর ছিলো! দেখা গিয়েছিলো এই ভাস্কর্যটিই স্থাপন করা হয়েছিল বৃটেনের ব্রিস্টল শহরের একেবারে কেন্দ্রস্থলে।
এই ঘটনা থেকে দুইটা বিষয় সু-স্পষ্ট যে, -
১. সভ্য দেশ দাবিদার বৃটেন আমেরিকাসহ সমগ্র ইউরোপ মহাদেশে তাদের মানসিক বর্নবাদ এখনও মন থেকে মুছে ফেলতে পারেনি।
দাসব্যবসা নিয়ে বৃটেন আমেরিকাসহ সমগ্র ইউরোপ মহাদেশে তারা যে আজো অনুতপ্ত নয় তার প্রমান এই
বৃটেনের ব্রিস্টল শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত
কলস্টনের মূর্তিটি।
২. আর সেই আমাদের সোনার বাংলাদেশে ভাস্কর্য নিয়ে যদি কেউ ভিন্নমত প্রকাশ করলেই একদল কথিত মুক্তমনা,তথাকথিত নারীবাদি, গোষ্ঠির লম্ফঝম্ফর জ্বালায় থাকা যায় না,
তো এরা এখন কোথায় গেলো?
এদের প্রভুর দেশে এতবড় ঘটনা ঘটে গেলো, রীতিমত উৎসব করে ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে!
এদের প্রতিবাদ এখন কোথায় গেলো - নেই কেন?
সাম্প্রদায়িকতা এলো এলো-
প্রগতিবাদ মুক্তচিন্তা গেলো গেলো
টিভি-টকশোতে কোথায় সেই মায়াকান্না?
এখনকি মায়ের পিরিয়ড ছেলে জানার খুব বেশি দরকার ছিল?


কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.