করোনায় মৃত সেই সালেহ আহমদকে সসন্মানে তাকওয়াবান আলেমদের টিম দাফন করেছে।
ওসমানপুরের করোনায় মৃত সেই সালেহ আহমদকে সসন্মানে 'শেষ বিদায়ের বন্ধু'র তাকওয়াবান আলেমদের টিম দাফন করেছে।
ওসমানপুরের করোনায় মৃত সেই সালেহ আহমদকে সসন্মানে 'শেষ বিদায়ের বন্ধু'র তাকওয়াবান আলেমদের টিম দাফন করেছে।
নবীর ওয়ারিশদের হাতে এমন দাফন কাজ সবার ভাগ্যে জুটে না।
তবে উনার জেনারেশনকে কেন লাশের সাথে পাওয়া গেল না,কেন উপজেলা থেকে স্বেচ্ছাসেবী টিমকে যেতে হলো সেটা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক চলছে অনলাইনজুড়ে।
সেটা আজকে- ট্যক অব দি মীরসরাইও।
প্রকৃত ঘটনা কি ছিল আজকে সকালে,সেটা তারা তুলে ধরেছেন-
_________________________
আজ মীরস্বরাইয়ের ওচমানপুরে করোনা রোগীর মৃত্যু ও গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যা অভিযোগ!!!
মৃত ব্যাক্তি পরিবারের সদস্যরা শহরে নিজ বাসায় করোনা সিম্পটম দেখা দেয়ার পর তাকে ছেড়ে বাসা থেকে চলে যায়। পরে তার ভাই এই করুন কাহিনী শুনে ভাইয়ের বাসায় তাকে মৃত পায়। দ্রুত তিনি লাশ নিয়ে কাওকে না জানিয়ে উদ্দেশ্যে পাড়ি দেন। সীতাকুণ্ড পর্যন্ত আনার পরে মৃতের এলাকা বাসির কাছে জানান যে উনি নাকি স্ট্রোক করে মারা গেছেন। পরবর্তীতে এলাকাবাসীরা কবর খনন করার লোকদের একত্রিত করার আগে উনার লাশ বাড়ি দরজায় পৌঁছায়। তৎক্ষনাৎ দেখা যায় লাশের সাথে উনার বড় ভাই ছাড়া পারিবারিক কোন সদস্য(দুই ছেলে, স্ত্রী, এমনকি কোন নিকট আত্নীয়) আসে নি। তৎক্ষনাৎ এলাকাবাসী লাশটি এম্বুলেন্স থেকে নামানোর পর উনার ভাইকে বাকী পারিবারিক সদস্য(২ছেলে/স্ত্রী)পারিবারিক সদস্যর কথা জিজ্ঞাসা করলে প্রতিউত্তরে তিনি রিপ্লাই দেন মৃত ব্যাক্তির করোনার সিম্পটম দেখা দেয়ার পর পারিবারিক সদস্যরা তাকে ছেড়ে চলে যায়। হটাৎ যখন তার পারিবারিক সদস্যরা(২ছেলে/স্ত্রী)মৃত ব্যাক্তির সাথে পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা করে ফোনের ওপাশ থেকে কল রিসিভ হয় নি। উনাকে কোনো হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়নি তাই উনার কোনো ডেড সার্টিফিকেট ছিলো না। তাই গ্রামবাসী মনে করলো তাদের কাছে যেহেতু কোন পিপিই এবং নিরাপত্তা সামগ্রী নেই তাই বেপারটি চেয়ারম্যানকে জানানো প্রয়োজন তাই উনারা চেয়ারম্যানের মাধ্যমে উপরস্থ কর্মকর্তাদের জানান যেহেতু উনি একজন করোনা রোগী। এরপর চেয়ারম্যান এর অনুমতিতে কবর খনন করার ব্যবস্থা করেন এলাকাবাসী। এরপর এলাকাবাসী শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করলে পরক্ষণে সব কাজ সম্পাদিত হয়। এছাড়াও গ্রামের মানুষের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ উঠে তারা নাকি লাশ দাফন করতে বাধা দিয়েছে। সামনে থেকে এতো বড় গুজব বেপার টি খুবই দুঃখজনক। করোনা আতংকে গ্রামের মানুষ তার সংস্পর্শে আসতে চায় নি কথাটি সত্যি কিন্তু তাকে গ্রামে লাশ দাফন করতে দেয়া হয় নি ঘটনাটি সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং গুজব।লোকটি যদি সত্যিই করোনা পজিটিভ হয়ে থাকে তাহলে তার সংস্পর্শে গ্রামের যেই মানুষগুলো আজ ছিলো তারা সহ আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যই হয়তো ওচমানপুর হতে পারে করোনার স্বর্গ রাজ্য। আজ সবকিছুর উদ্ধে মৃত্যুকে আলিংগন করে গ্রামের এই সহজ সরল মানুষটি চলে গেছেন পৃথিবীর ওপারে। আল্লাহ উনাকে জান্নাতবাসী করুক।।
স্পেশালী থ্যাংক্স টু শেষ বিদায়ের বন্ধু। (শেবিব)
শুরু থেকে শেষ অব্দী এই সংগঠনটির ভূমিকা ছিলো খুবই প্রশংসনীয়।


কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.