আত্মহত্যা সমাধান নয়। (সুশান্ত সিং রাজপুত)
![]() |
| আত্মহত্যা সমাধান নয় |
আত্মহত্যা সমাধান নয়। (সুশান্ত সিং রাজপুত)
শ্রমিকরা দাঁতে দাঁত চিপে দু'মুঠো খাবারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, কত মানুষ নানান প্রতিকূল পরিস্থিতি'র মধ্যে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছে,আর সমাজের স্বীকৃত সফল ব্যাক্তিরা কিনা জীবন থেকে পালিয়ে যাচ্ছে।
হতে পারে তাদের পেছনে একটা বিষাক্ত অতীত, ভাবছে হয়তো অন্ধকার নামবে শীগ্রই, হয়তো হারিয়েছে তারা অনেক প্রিয় মুখ, খুলেছে কিছু মানুষের আসল রূপ, ইতিমধ্যে কিছু শব্দেরও পরিবর্তন ও আসতে পারে, প্রিয় থেকে অপ্রিয়, চেনা থেকে অচেনা, মানুষ থেকে অমানুষ।
আবার, জীবনের মাঝখানে পরিচয় হয়ে যায় কিছু মানুষের সাথে আনন্দটা কিছু দিনের জন্য জানলেও কলিজায় নিয়ে নেয় তাদের, হারাবে জেনেও আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়, কিন্তু সময়ের সাথে তারা ঠিক-ই হারিয়ে যায়, পড়ে থাকে কাটানো স্মৃতি গুলো আর বোকার মত সেই স্মৃতি গুলো নিয়ে পড়ে থাকে রক্তে-মাংসে গড়া কিছু জীবন, অবশেষে সঙ্গী হয় একাকিত্ব।
এই একাকিত্ব,হারানোর যন্ত্রণা, অবহেলা থেকে সৃষ্টি হয় এক নতুন শব্দ
আত্মহত্যা!!
আত্মহত্যার খবর প্রকাশ করার সময় আমাদের সাবধান থাকা উচিত, যে আত্মহত্যা করে,তাকে যেন আমরা হিরো না বানাই, আত্মহত্যা বীরের কাজ নয়,ভিরুর কাজ।যে যতভাবে অপমানই করুক না কেন,তার জন্য আত্মহত্যাকে যেন আমরা সিলেক্ট না করি।এতে সমাজে আত্মহত্যা উৎসাহিত হয়।স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে,লং টাইম রিলেশন পরিবারের দ্বিমত, শাশুড়ির গঞ্জনা সহ্য করতে না পেরে, বখাটেদের উত্যক্তে অতিষ্ঠ হয়ে.........................এই ধরনের হেডলাইন তরুন প্রজন্মের জন্য ভালো নয়।
যে কোন অপমান, গঞ্জনা,উত্যক্তকরণ, অনীহা,সব কিছুর প্রতিবাদ করতে হবে, এবং তা করতে হবে বেঁচে থেকে, আত্মহত্যাকে নিরুৎসাহিত করুন, প্রতিহত করুন। শত আঘাত, শত অপমান, শত অত্যাচার, শত দারিদ্র্য, শত লজ্জার মধ্যেও জবাব হলো--জীবন।
"বাঁচো, বেঁচে থাকো, লড়াই করো"
যদি তুমি আত্মহত্যা করো, আত্মহত্যার কথা ভেবে থাকো, আমরা তোমার সঙ্গে নেই। যদি তুমি লড়াই করো, আমরা তোমার সঙ্গে আছি।

কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.