______________________________ এ সংকট যদি আরো কয়েক মাস মাসও স্থায়ী হয় সরকার যদি খাদ্য সরবরাহে ব্যর্থ হয় তবুও আল্লাহর রহমতে এদেশের মানুষ না খেয়ে মরবে না ইনশাআল্লাহ। গাছে গাছে প্রচুর আমের সমাহার।পেয়ারার সিজনও আসছে।এখন শস্যের মৌসুম। এখন শুধু দোয়া।আল্লাহর কাছে রিযিকের জন্য দোয়া,আযাব থেকে রক্ষার দোয়া। #স্থায়ী_সমাধান: এদেশে ভুখন্ডের তুলনায় যেহেতু মানুষ বেশি, বন্যা ঘূর্নিঝড়ে চাষবাষের ক্ষতি হয়।চাল আমদানি করতে হয়।চাল পেঁয়াজ নিয়ে চলে আন্তঃদেশীয় রাজনীতি।আছে মুদ্রাস্ফীতি,মজুদদার সিন্ডিকেটের প্রভাব। তারমানে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নেই।এটা উদ্বেগজনক ঘটনা। পরিবেশ রক্ষার নামে দেশের রাস্তার পাশে আমাজনের আগ্রাসী গাছ না লাগিয়ে, যদি বার মাসি-মৌসুমি ফল,ঔষধি গাছ লাগানো যেত তবে ফলফলাদি খেয়েই দূর্ভিক্ষ পার করে দেয়া কোন ব্যপারই নয়। সিরিয়া ইয়েমেন দেখুন। ইয়েমেনিরা একসময় সিয়েরালিওন থেকে শখের বশে "কাদ" (নেশাজাতীয় পাতা) এনে খেতো,এখন ঘাসও পাচ্ছে না খেতে। এসব সামষ্টিক বিষয়ে জাতীয় চিন্তা দরকার।রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রথম ব্যক্তি থেকেই ভাবান্তর দরকার। না হলে এ জাতীর জীবনে ভয়াবহ (ম্যালথাসের ভাষায়) "প্রাকৃতিক নিরোধ" অপেক্ষা করছে। যার শুরু করোনা।
কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.
কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.