ইন্ডিয়ান সীমান্ত বিবাদ ছাড়া চায়নিজ ইস্যু নিয়ে ঘরমুখী মানুষ বেশ খোশ মেজাজে আছে।
পাক-ইন্ডিয়ান সীমান্ত বিবাদ বাদ দিয়ে আপাতত
চায়নিজ ইস্যু নিয়ে করোনা উপদ্রুত ঘরমুখী মানুষ বেশ খোশ মেজাজে আছে।
গতকালকেও পাক রেঞ্জার্সের গুলিতে এক বিএসএফ মারা গেছে।
কিন্তু নেপথ্যের খবর যেটা সেটা হলো ইন্দো-ভারতীয় অঞ্চলে এত সীমান্ত সমস্যার মূলে আছে বৃটিশদের অবহেলা। আরো আগ বাড়িয়ে বলা যায় ঐতিহাসিক চক্রান্ত।
বিবিসির একটা ডকুমেন্টারিতে দেয়া হয়েছিলো যে- দেশ ভাগের জন্য এমন একজন বৃটিশ লর্ডকে পাঠানো হয়েছিল ভারতীয় উপমহাদেশ নিয়ে যার কোন পূর্ব ধারনাই ছিল না। খুবই অল্প সময় পেয়েছিলেন তিনি এই কাজে।
তাহলে ব্যপারটা কি পরিকল্পিত ছিল?
উদ্দেশ্য হলোঃ-
১) এরা যেন অভ্যন্তরীন ভাবে হানাহানিতে ব্যস্ত থাকে।
২) শোষক বৃটিশদের যেন টপকাতে না পারে।
৩) বৃটিশ শাসন নিয়ে কোন দেশ যেন প্রশ্ন তুলতে না পারে
৪) সবাই বৃটিশদের মুখাপেক্ষি হয়ে যেন থাকে
৫) বৃটিশদের গনহত্যা সহ সকল অপরাধের বিচার যেন করতে না পারে।
চমৎকার উদাহরনের জন্য মানচিত্রে 'চিকেন নেক' এরিয়াটি দেখুন। যেখানে নেপালের সাথে বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের দূরত্ব ২৯ কিঃমিটারের মত। ভারতের সেভেন সিস্টার্সে যেতে হলে পুরা বাংলাদেশকে টপকে ইউ বর্নের মত ঘুরে যেতে হয় ভারতকে।
মোটামুটি একেকজন একেকজনের মুখাপেক্ষি কোন না কোন ভাবে হতে হয়।
দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হলেও ইউরোপ কিংবা মিডলইস্টের মিসর সুদান লিবিয়ার মত সোজা সীমানা দেয়া যেত।
কিন্তু বাস্তবতা কি?
চীন ভারত পাকিস্তান সহ অন্যান্য দেশের মানুষ একে অপরের সাথে অশালীন ভাষায় কথা কাটাকাটি হচ্ছে। বৃটিশদের আঁকা সীমানা নিয়ে নিজেরা চরিত্রহনন করছেন।
কিন্তু নেপথ্যে কার ভূমিকা ছিল, কে খেলা খেলে চলেছে আমজনতার খবর নাই।
সবাই গ্যালারীতে চার চক্কা হুক্কা হুয়া নিয়ে ব্যস্ত।
পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার আফ্রিদির করোনা সংক্রমন সকলে জানলেও আসল খেলোয়াড় দাউদ ইব্রাহীম যে করোরায় মারা গেছেন সেদিকে কারো খবরই নেই।
বৃটিশদের ক্ষেত্রেও ঘটনাটা এ রকম।

কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.