মদখোর, সুদখোরকে যেভাবে দেখেন কুরআনকে ব্যবসা করে খাওয়া লোককে কি ওই চোখে দেখেন?
আপনার এলাকার একজন মদখোর, সুদখোরকে আপনি যেরকম খারাপ চোখে দেখেন দ্বীন ইসলামকে,হেদায়েত গ্রন্থ কুরআনকে ব্যবসা করে খাওয়া লোককে কি ওই চোখে দেখেন???
অথচ প্রথম জনের চেয়ে দ্বিতীয় জনরা আল্লাহর চোখে বহুগুনে অপরাধী। হাশরের মাঠে এদের বিচার হবে সবার আগে। জুব্বুল হুজুন নামের সবচেয়ে ভয়ানক জাহান্নাম এদের জন্যই বানানো হয়েছে।
কারন এরা কুরআনকে ব্যবহার করে ইনকাম করা যে হারাম সেটা ভালো করেই জানে।
লোকে যাতে খারাপ না বলে সেজন্য সেটাকে নিজেদের বানানো শরীয়ত দিয়ে জায়েজ করে খায়। সহজ কথায় এরা মদকে বিয়ার বলে খায়।
অথচ আমরা তাদের কতই না সন্মান করি, ভালো বাসি। খুশী মনে টাকা গুঁজে দিই হাতে।
কথাগুলো শুনতে খারাপ লাগলেও আমাদের কওমী, আলীয়া ধারার জাতীয় আলেমরা এ পর্যন্ত বহুবার এসব ব্যপারে মুখ খুলেছেন, উম্মাহকে সতর্ক করেছেন।পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখেছেন।
মাসিক মদীনার সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দিন খান,ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার প্রফেসর ছিলেন। সারা জীবন কাটিয়েছেন কওমী-আলীয়া ধারার সাথে। তিনি তাঁর সম্পাদিত তাফসীরে মাআরেফুল কুরআন আর মাসিক মদীনায় দলিল প্রমান দিয়েই কুরআন খতম, মিলাদ তাবিজ কবজ দিয়ে টাকা কামানোকে হারাম বলেছেন।
সচরাচর এসব ব্যপারে কাউকে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যায় না,
কিন্তু এ রকম পোস্ট আমাদের টাইমলাইনে দেখলে এরা করোনা রোগীর মত তফড়ায়।
ওরা ধরে নেয় যে আমি ওদের বিরুদ্ধেই লিখেছি। অথচ আমরা নিজেরা ও জানি না আসলে কার বিরুদ্ধে লিখেছি।
হক্কানী আলেমদের পোস্ট শেয়ার করা কিংবা এসব কথা লিখি বলে এরা মুসল্লিদের বুঝায় উনি "হুজুরদের ভুল ধরেন","হুজুরদের বিরুদ্ধে লিখেন"।
আর যে আলেমরা এদের ব্যবসার বিরুদ্ধে বলেন লিখেন তাঁদেরকে চ্যালেঞ্জ করার মত সৎসাহস এদের নেই,কারন তারাতো টাকার বিনিময়ে তাদের ঈমানকে বেচে দিয়েছেন বহু আগে।

কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.