Header Ads

Header ADS

কাতার বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে বললেন, জাকির নায়েক তো সৌদিদের মত পোশাক পড়ে না। অথচ সৌদিরা সুন্নতি পোশাক পরে কিন্তু ভালো কাজ করে না।

 


কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে কি প্রশ্ন করলেন?
 জাকির নায়েক তো সৌদিদের মত পোশাক পড়ে না। অথচ সৌদিরা সুন্নতি পোশাক পরে কিন্তু ভালো কাজ করে না।


আচ্ছা আমার একটা প্রশ্ন। যদিও আমি বলতেছি না যে সাপোর্ট করা যাবে। আসলে বিষয়টা ক্লিয়ার হতে চাই। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা অন্যান্য অনেক কান্ট্রিতে তো মুসলমান আছে। যে দেশে বসবাসরত মুসলমান যদি ব্রাজিলের জার্সি পড়ে সেটাকে কিভাবে দেখব আমরা। 

তারা তাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ডে ন্যাশনালিটি ব্রাজিলিয়ান আর্জেন্টিনা আমেরিকান এগুলা দেয়। যেমন বর্তমানে আমাদের দেশের ম্যাক্সিমাম ছেলেমেয়েরা পশ্চিমা বিশ্বে পড়ালেখার জন্য সেটেল হওয়ার জন্য যায় একটা সময় তারা সেখানকার ন্যাশনালিটি পেয়ে যায় সেই ক্ষেত্রে সেই দেশের নাগরিক হিসেবে সে কি তার দেশের কোন একটা কাঠামোকে বয়কট করতে পারে? 


 আসলে আমি ঠিক জানিনা কিন্তু মনে অনেক প্রশ্ন জাগে। এটা অন্তত বুঝি যে, এমন কিছু করা যাবে না যে তাদের আকিদা আমাদের মধ্যে চলে আসে। তবে একটা কথা যারা এসব দলকে সাপোর্ট করে তারা কিন্তু আসলে তাদের ধর্মকে সাপোর্ট করে না। খেলাধুলা একটা এন্টারটেইনমেন্ট। খেলোয়াড়রা আমাদের ইন্টারটেইন করে তারা এন্টারটেইনার তারা কিন্তু আমাদের আইডল না। যতই ভালো খেলুক আজকে আমাদের ধর্ম নিয়ে কেউ কিছু বলুক আপনি বিশ্বাস করেন অনেক হুজুরদের আগে সাধারণ পাবলিক তাদের বিপক্ষে অবস্থান নিবে। তবে জার্সি পতাকা খেলাধুলা এসব নিয়ে এখন যেভাবে ফতোয়া দেওয়া হয় এভাবে ভাই আসলে কেউ মানে না সে ক্ষেত্রে কি হয় সে জানার পরেও এই কাজটা করেছে আরও বেশি পাপী হয়। তখন কি হলো সে জানার পরেও অন্তরে এই বিষয়গুলোকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে ফেলল। কারণ দুনিয়াটা এখন এসব মাখামাখি। সাধারণ মানুষকে এখন এমনভাবে ইসলামী দাওয়াত দেওয়া হয় মানে দিনে প্রবেশ করার আগেই দিনের সমস্ত বিষয়গুলো তার ওপরে চাপিয়ে দেওয়ার মত একটা উপস্থাপনা করা হয় যেটা সে নিতে পারে না। ভাই কেউ যদি দিনে ফিরতে পারে আল্লাহর অপছন্দনীয় বিষয় ছাড়ার জন্য হেদায়েত আল্লাহ তাকে নিজে দিয়ে দিবে। 

আমার যতটুকু মনে হয় আমাদের দাওয়াতি কাজে অনেক ভুল। এখন যদি ফ্রান্সের ১১ জন মুসলিম প্লেয়ার কে বিশ্বকাপে চান্স দেয়া হয় তখন কি আমি ফ্রান্সকে সাপোর্ট করতে পারব ফ্রান্সের পতাকা উত্তোলন করতে পারবো?

 অনেকে বলে মুমিন কখনো এসব কাজ করতে পারে না। সৌদি আরবের পতাকায় তো কালেমা লেখা কিন্তু ওরা তো ফরজ তরফ করে আজকে খেলল। এখন আমি কি সৌদি আরবের সাপোর্ট করতে পারবো কিনা?

মানে আমার কথা হচ্ছে এই গুলোর মধ্যে ইসলামের কতটুকু অংশ। ডক্টর জাকির নায়েক তো সৌদিদের মত পোশাক পড়ে না। অথচ অনেক সৌদিয়ান যারা সুন্নতি পোশাক পরে কিন্তু ভালো কাজ করে না। আসলে এগুলোর মধ্যে কাফের হওয়ার মতো বিষয় আদৌ আছে কি। তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করা যাবে না এটা আমরা জানি। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করেন। আল্লাহ যেন আমাদের সেই ভাবে রাখেন যেভাবে থাকলে তিনি খুশি। আল্লাহুম্মা আমীন।


এই পোস্ট দেখে একজন জবাবে বললেন,,,,,

ভাই, আপনি আগে জাতীয়তাবাদ বুঝেন আর আল ওয়ালা ওয়াল বারা ঈমানের শর্ত খেলা দেখলে ওদের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হয় যা ঈমানের সাথে সাংঘর্ষিক,  আর প্রতিটি মাযহাব ও আহলে হাদীসরা ঐক্যমত কাফের অধু্্যষিত দেশে থাকা ও নাগরিকত্ব নেওয়া হারাম। আপনার পছন্দনীয় যেকোন আলেম বা শায়েখকে জিজ্ঞেস করেন। আর তাগুত বর্জন ঈমানের ১ম শর্ত অর্থাৎ আল্লাহর বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক সকল বিধান পরিত্যাগ করতে হবে। অনেককিছু বাধ্য হয়ে আমরা মানছি কিন্তু খুশিমনে মানা ঈমানের বিপরীত।

কোন মন্তব্য নেই

please do not enter any spam link in the comment box.

Blogger দ্বারা পরিচালিত.