পৃথিবীতে হোম কোয়ারেন্টাইনে সবচেয়ে ভালো সময় কাটছে বাঙ্গালী তরুণদের।
পৃথিবীতে হোম কোয়ারেন্টাইনে সবচে ভালো সময় কাটছে সম্ভবত বাঙ্গালী তরুণদের।
আপনার সময়টা কীভাবে কাটছে?
শুকনো মাঠঘাট, ফুল ফসলে ভরা বসন্ত।মন মাতাচ্ছে ঘ্রাণ।
মাছরাঙ্গা,বউ কথা কও..এর মত হাজারো পাখির কলকাকলী।
শহুরে যান্ত্রিক জীবন ফেলে হঠাৎ দীর্ঘ ছুটিতে এসে সবাই মিলে কাঁচা আমের ভর্তা বানানো।
বিশুদ্ধ দখিনা বাতাসে ঘাস বিছানো মাঠে গা এলিয়ে বই পড়া।কতভাবেই না সময় পার করছেন অনেকে।
(শোনা যাচ্ছে,আগামি বছরের ফেব্রুয়ারীতে রেকর্ড সংখ্যক সন্তান জন্ম দিবে আমাদের মা-বোনেরা।এমনকি নিউজিল্যান্ডকে টপকিয়ে নামও উঠে যেতে পারে গিনেসে!
সেই সাথে সর্বাধিক মানুষের জন্মদিন ১জানুয়ারীর রেকর্ড দীর্ঘদিনপর ভেঙ্গে যাবার আশংকাও দেখা দিয়েছে 🤔)
আপনার সময়টা কীভাবে কাটছে জানতে চাই
হয়তো সেটা থেকে অন্যরাও আইডিয়া পাবে।
কমেন্টে যারা জানিয়েছন:
(১) বাড়ি পাশের জমিনে পুকুরে কাটছি মাছ ছাড়তেছি, বিভিন্ন রকমের সবজির বাগান করছি, দুপুরে ভাবির হাতে বিভিন্ন রকমের বর্তা, কিছুক্ষন কোরআন পড়ি,রাতে ভাগিনাকে পড়াই কিছুক্ষন নিজের পড়া পড়ি,আজকে জমিন দেখতে গেলাম।
(২) নিয়মিত কাজ - চাঁদনী রাতে হাঁটা, ঘরে বা পুকুর পাড়ে বসে বই পড়া, আমের ভর্তা খাওয়া, বিকালে ও চাঁদের আলোতে বন্ধুদের সাথে আড্ডা।
অনিয়মিত কাজ -কয়েকদিন যাবৎ পুরাতন সাইকেল টাতে রঙ করতেছি, বাড়ীর পাশের জমি গুলোর ধারে সবজি বীজ বপন করলাম।
শখের একটা কাজ প্রয়োজনীয় উপকরণ না থাকায় করতে পারছি না- শৈশবের স্মৃতি জড়ানো অনেক গুলো দৃশ্য চোখে পড়তেছে, মনোরম অনেক কিছুই চোখে পড়ে কিন্তু ভাল মোবাইল বা ক্যামেরা না থাকায় দৃশ্যগুলো ধারণ করতে পারতেছি না।
সব মিলিয়ে যেন শৈশব, তারুণ্য ফিরে পেয়েছি।
তবে মাঝেমাঝে অর্থ সংকটের চিন্তাটাও মাথায় ছেপে বসতেছে।
(৩) ভাই--
সময়টা যাচ্ছে- নামাজ, তেলাওয়াত, পরিবারের মানুষগুলোর সাথে কিছুটা আনন্দময় মুহূর্ত, পরিবারে একে অন্যের সহযোগী হয়ে চলা, বই পড়া, নিজের জমির কৃষি কাজে দারুণ উপভোগ করা, বাবার অফিসিয়াল কিছু কাজে সহযোগী হতে পারা, অনলাইনে সময় কাটানো, সব ভাইবোন মিলে সময় অসময়েও নতুন কাঁচা আমের ভর্তা খাওয়া, ছোট্ট ছোট্ট ভাগ্নাদের নিয়ে সময় কাটানো, বাড়ির মুরুব্বি, ছোট্ট ছোট্ট সোনামণিদের মাথার চুল কেটে সুন্দর করা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত গোসল-খাবার ইত্যাদির মাধ্যমে সময় অতিবাহিত হচ্ছে। খুব বেশি ভালো উপভোগ করছি, কিন্তু আতঙ্ক দূর হচ্ছেনা😪 নিজেও সচেতন আছি, পরিবারের মানুষগুলোকেও সচেতন রাখার চেষ্টা করছি। এতো হাসি-খুশির অন্তরালেও যেন কি একটা, 😪অনুভূতি কাজ করে😪😪 আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন আমিন। 🤲
(৪) আশেপাশেট ছোটখাট ফল গাছসহ অন্যান্য গাছে মাটি দিয়ে, শাক-সবজি রোপন। এতদিন পেপে-টমেটো ভর্তা চলছিল এবার শুরু হবে কাঁচা আমের ইনশাআল্লাহ...
(৫) নামাজ,কুরআন,মাঝে মধ্যে বই,সকাল বিকাল যিকির,কয়েকদিন যাবত মাদ্রাসার অফিসিয়াল হিসাব,ফেসবুক, ভিবিন্নভাবে সময় কাটছে আলহামদুলিল্লাহ।
(৬) সুন্দর এবং মানসিক চাঙা করার পোস্ট। কোয়ারান্টাইন সময়ে নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, বই পড়ে, ঘুমে কাটিয়ে দিচ্ছি। সবচেয়ে বড সফলতা আমি আমার ছেলকে পুনঃ রুদ্ধার করতে পেরছি। অফিসের লম্বা ডিউটির কারনে ছেলেকে একটু ও সময় দিতে পারতামনা। তাই ছেলে আমাকে প্রায় চিনতো না।। আমার কাছে, আসপাশে ও আসতোই না। আজ সে ছেলে বাবা বলতে পাগল❤❤। আমার সাথে ঘুম, আমার সাথে নামাজ, গল্প, টিভি দেখা সহ সব।।।
আলহামদুলিল্লাহ ভালো কাটছে।
মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা আললাহ আমাদের যেন খুব সহসা এই করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত করে।

কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.